পোস্টগুলি

জুন, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রাসেলস ভাইপার-আতঙ্ক: চন্দ্রবোড়ার সত্য–মিথ্যা

ছবি
চন্দ্রবোড়া বা রাসেল ভাইপার সাপের ছবি আর তার ভয়ংকর রকম ব্যাখ্যা এখন ফেসবুকের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে পড়ছে। একজন লিখেছেন, সাপের ভয়ে ফেসবুক খুলতে পারছেন না। একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিখেছেন, ‘অনেক হয়েছে, এবার সাপের পোস্ট দেওয়া বন্ধ করুন, আর নিতে পারছি না।’ ভয় দেখাতে, ভিড় সরাতে আবার মজমা জমাতে সাপের জুড়ি নেই। স্বৈরশাসক আইয়ুব-মোনায়েমের পোষা গুন্ডা ছাত্রনেতা পাঁচ পাত্তু (পাস পার্ট টু) একটা সাপ নিয়ে চলতেন। তখনকার ছাত্রছাত্রীরা তাঁকে দেখলেই পথ ছেড়ে দিতেন সমীহ করে নয়, সাপের ভয়ে। এখন ‘লবঙ্গ’ সাইজের পিস্তল পাওয়া যায়। তাই সাপের আর দরকার হয় না। তবে প্রতিপক্ষের মিছিলে, জনসভায় সাপের প্রয়োজন এখনো একেবারে ফুরিয়ে যায়নি। খোলা সাপে যেমন ভয়, বাঁধা সাপে আবার তেমন আকর্ষন। সাপুড়ে তাঁর ঝাঁপি নিয়ে বসলে লোক ডাকতে হয় না, বয়সী-অবয়সী সবাই বেশ শৃঙ্খলার সঙ্গে বসে বা দাঁড়িয়ে যায়। ষাটের দশকে ঢাকায় কাছারির (ডিসি অফিস) মাঠে ‘শিলাজিৎ হালুয়া’ বিক্রেতার সঙ্গে সাপুড়েদের প্রায় গোল বাধত ভিড় ভাঙানো নিয়ে। সাপুড়েরা ঝাঁপি খুলে বসে গেলে মাগনা হালুয়া খাইয়েও তাঁরা আর দর্শক ধরে রাখতে পারতেন না। জনতা ছুটত সাপের কাছে। হালুয়ার চেয়ে ভয়ংকর সাপের প্...