পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাঙালি লেখিকা শরৎকুমারীর চৌধুরাণী

ছবি
  শরৎকুমারীর চৌধুরাণী ছিলেন ঠাকুরবাড়ির বিশেষ ঘনিষ্ঠ ও ভারতীয় সম্পাদকীয় গোষ্ঠীর অন্তর্গত বাঙালি লেখিকা। শরৎকুমারীর জন্ম ১৮৬১ সালের ১৫ জুলাই বৃটিশ ভারতের বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার ব্যারাকপুরের চাণকে তার মাতুলালয়ে। পিতা শশীভূষণ বসুর কর্মস্থল ছিল লাহোর। সেখানে তিন বৎসর বয়সে স্থানীয় বঙ্গবিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ছয় বৎসর বয়সে লাহোর ইউরোপিয়ান স্কুলে শিক্ষাপ্রাপ্ত হন। হাওড়া আন্দুলের বিখ্যাত চৌধুরী পরিবারের অ্যাটর্নি অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরীর সাথে ১৮৭১ সালে ১২ মার্চ তার বিবাহ হয়। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘লাহোরিণী বলে উল্লেখ করতেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁকে কোনো লেখার প্লট দিলে চার-পাঁচ দিনের ভেতর উৎকৃষ্ট এক লেখা উপহারের মধ্য দিয়ে তিনি তার প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতেন। ভারতীর সম্পাদকীয় গোষ্ঠীতে উভয়েরই উৎসাহী সভ্য এবং মাতৃভাষার পরম অনুরাগী ছিলেন। ‘ভারতী , ‘ভারতী ও বাল , ‘সাধনা’, ‘ভান্ডার’, ‘বঙ্গদর্শন’, ‘ধ্রুব’, ‘সবুজপত্র’, ‘মানসী ও মর্মবাণী’, ‘বিশ্বভারতী’ প্রভৃতি পত্রিকায় তার সাক্ষরহীন বহু রচনা প্রকাশিত হয়েছে। একমাত্র উপন্যাস শুভবিবাহ ছাড়া ক...

প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক

ছবি
  স্বর্ণকুমারী দেবী ১৮৫৫-১৯৩২ দেবী, স্বর্ণকুমারী (১৮৫৫-১৯৩২) কবি, নাট্যকার, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী। তিনি জোড়াসাকোঁর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্বর্ণকুমারী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর দশম সন্তান এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভাগ্নী। সমকালীন রীতি অনুযায়ী স্বর্ণকুমারী বাড়িতে শিক্ষালাভ করেন। বারো বছর বয়সে তাকে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জানকীরাম ঘোষালের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। তার স্বামী কলকাতার ভদ্রলোক সমাজের একজন প্রগতিশীল সদস্য ছিলেন। তিনি তার স্ত্রীকে পর্দা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দেন এবং লেখালেখি ও সমাজ সেবার কাজে উৎসাহিত করেন। ছোটবেলা থেকেই স্বর্ণকুমারী সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রতিভার ছাপ রাখেন এবং জোড়াসাঁকোর সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল ও সাহিত্য কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। স্বর্ণকুমারী দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক ভারতী পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তার দীপ নির্বাণ (১৮৭০) উপন্যাসটি ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তার অন্যান্য রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ছিন্ন মুকুল, স্নেহলতা বা পালিতা (১৮৯২-৩) এবং সম্ভবত তার সবচেয়ে সেরা গ্রন্থ কাহাকে (১৮৯৮)। এ গ্রন্থটি The Unfinished Song নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়।...