পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নাসিরুদ্দিন ? যে নামেই ডাকো, হাসির ঝরনাধারা / সুশোভন ইফতেখার শাওন

ছবি
  ভীনদেশী এক বীরবল মোহাম্মদ নাসির আলী ‘ একই অঙ্গে এত রূপ’-মান্নাদের বিখ্যাত এ গানের আগে কেউ অমন মনমাতানো সুর শুনেছেন কিনা তা জোর দিয়ে বলতে পারব না। একইভাবে একই ব্যক্তিত্বের অনেক নামের কথাও বোধহয় কমই জানি আমরা। এ রকম এক ব্যক্তিত্ব হলেন আমাদের অনেককালের পরিচিত, হাসি-বন্ধু, নাসিরুদ্দিন হোজ্জা। নাসিরুদ্দিন হোজ্জা, মোল্লা নাসিরুদ্দিন, নাসিরুদ্দিন খোজা, (দক্ষিণ এশিয়ায়) জুহা, নাসিরুদ্দিন এফেনদি কিংবা শুধু নাসিরুদ্দিন নাম নিলে বোঝানো হয় তাকেই। ‘ভিনদেশী এক বীরবল’ বলেও তাকে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক মোহাম্মদ নাসির আলী। তার অনূদিত হোজ্জার গল্প-সংকলনটির নামই ‘ভিনদেশী এক বীরবল’।  গোলাপ যে নামেই ডাকো। তেমনি নাসিরুদ্দিন যে নামেই ডাকো, হাসির ঝরনাধারা, অনাবিল প্রবাহ। ‘মিষ্টি হাসির দুষ্টুমি’ থেকে মশকরা, নির্মল রসিকতা, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ এমনকি হো হো হাসি বা অট্টহাসিসহ হাসির সকল ধরনকেই পাওয়া যাবে তাকে নিয়ে গল্পগাঁথায়। এসব গল্পের কোনো কোনোটিতে দার্শনিক দৃষ্টির ছোঁয়াও মিলবে। কিংবা শিক্ষণীয় বিষয়ও থাকতে পারে তার কোনো কোনো গপ্পে। আর যা-ই হোক, সবকিছুকেই ছাপিয়ে থাকবে হাসির তরঙ্গমালা। ...

বইমেলার ইতিহাস ও আমার ভাবনা / সুশোভন ইফতেখার শাওন

ছবি
  মেলায় প্রথম দিকের বই প্রদর্শনী  ‘ বইমেলা ’ কিংবা ‘ গ্রন্থমেলা ’ শব্দ দু ’ টির যেকোনো একটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ‘ বাংলা একাডেমী ’ আয়োজিত একুশে বইমেলা । যে মেলা বইপ্রেমী মানুষের প্রাণে দোলা দেয় । এক অদৃশ্য শক্তিবলে লাখো মানুষকে টেনে আনে একাডেমীর বর্ধমান হাউস প্রাঙ্গণে । বর্ধমান হাউস ও এর আশপাশ ঘিরে জমে ওঠে লেখকদের জমজমাট আড্ডা । ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি   মাসের ২১ তারিখ বাংলা ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গের যে বীরত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে , সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই এই মাসে আ য়ো জিত এই বইমেলার নামকরণ করা হ য় ' অমর একুশে গ্রন্থমেলা ’ । ‌ ‘ একুশে গ্রন্থমেলা ’ মানেই লেখক প্রকাশকদের নির্ঘুম রাত । প্রকাশিত হয় হাজার হাজার বই । নতুন বইয়ের মৌ মৌ গন্ধে মোহিত হয় মেলায় আসা পাঠক, ক্রেতা , দর্শনার্থী । বিক্রি হয় লাখ লাখ কপি বই । এসবই আমাদের কাছে খুব চেনা এবং জানা একটি বিষয় । কিন্তু আমরা অনেকেই এই মেলার ইতিহাস জানি না । আসুন জেনে নেই অমর একুশে গ্রন্থমেলার ইতিহাস । বইমেলার স্টলে ঘুরে বই দেখছেন কবি সুফিয়া কামাল অমর ‘ একুশে গ্রন্থমেলা ’ আমাদের কাছে ব্যাপকভাবে ‘ একুশে...

আগাবাকর ও খনি বেগমের উপাখ্যান (১ম পর্ব) / সুশোভন ইফতেখার শাওন

১৭০৭ সালে সম্রাট আলমগীর এর মৃত্যুর ৫০ বছরের মধ্যে সমগ্র মুঘল সাম্রাজ্য হিন্ন ভিন্ন হয়ে গেল। তখন সরকারী আমলা এবং রাজকর্মচারীর মধ্যে ঘটেছে ব্যাপক দুর্নিতী। বিশেষ করে সুবে বাংলায় সরকারী কর্মচারীর দুর্নিতী আর প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের কারণে প্রশাসন সম্পূর্ন রূপে ফাসে পরার উপক্রম হয়েছে। বাংলার সুবেদার নবাব আজিমুসসান ছিলেন সম্রাট আলমগীরের কনিষ্ট পুত্র। তিনি ছিলেন নিষ্ঠুর, দুর্নিতীপরায়ন আর পরনারীতে আসক্ত। জিনজিরা প্রাসাদে ইয়ার বন্ধুদের নিষে মদ আর সুন্দরী নারীদের নিয়ে আমোদ ফুর্তিতে কাটিয়ে দিতেন দিনের পর দিন। রাষ্ট্রের প্রশাসনের দিকে কোন নজর দেয়ার অবকাশ তার ছিল না। ঠিক এমনি অবস্থায় ভারত সম্রাট আওরঙ্গজেব মুর্শিদকুলি খানকে সুবে বাংলার দেওয়ান করে ঢাকায় পাঠালেন। অল্পদিনের মধ্যে নবাগ আজিমুস সানের ক্রিয়া কর্মে তিনি হতাশ হয়ে পড়লেন। অর্থের ভান্ডার দেওয়ানে। কাছে। প্রথম প্রথম সুবেদার যে অর্থ চেয়েছেন, তাই প্রদান করেছেন তিনি। কিন্তু সুবে বাংলার সুবেদার এর সার্বিক অবস্থা অবগত হওয়ার পর প্রয়োনোরিক্ত অর্থ প্রদান বন্ধ করে দিলেন। ফলে সুবেদার আর দেওয়ানের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হল। শেষ পর্যন্ত নবাব আজিমুসসান মুর্শিদকুলি খানকে...

মধ্যরাতের বাঙলাদেশ '৭১ থেকে '৮১ ও জিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ড

ছবি
  মধ্যরাতের বাঙলাদেশ '৭১ থেকে '৮১ ইফতেখার রসুল জর্জ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ৮ম শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তা কর্তৃক নৃশংস ভাবে নিহত হন। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ অধিকার করে জিয়াসহ আরও কয়েকজনকে গুলি করে, যার ফলশ্রুতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান নৃশংস ভাবে হত্যার পরপরই লেখক, অনুবাদক ও প্রকাশক ইফতেখার রসুল জর্জ রচিত তথ্যবহুল দুটি গ্রন্থ প্রকাশ হয়। বই দুটি ব্যাপক ভাবে আলোচিত হয়। দুটি বই সে সময় প্রায় বিশ হাজার কপির কাছাকাছি বিক্রিও হয়। একটি গ্রন্থ লাইব্রেরী অব কংগ্রেস তাদের আন্তর্জাতিক তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত করে। রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তনের সাথে সাথে বইগুলো বাজারজাত করতে নিষেধ করা হয়। ইফতেখার রসুল জর্জের শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে রচিত অন্য বইগুলো  বাজারে থাকলেও স্বৈরশাসকরা এদুটো বই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে। জিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ড আমি জিয়া বলছি ইফতেখার রসুল জর্জ বৈষম্যবিরোধী ছ...