পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সঠিক বেঠিক ইতিহাস ও আমার ক্ষুদ্র বিশ্লেষন

ছবি
ইবরাহীম খাঁ  উইকিপিডিয়া প্রকাশিত ইবরাহীম খাঁ এর জীবনীর অংশ ইবরাহীম খাঁ   ( ফেব্রু য়া রি ১৮৯৪-২৯ মার্চ ১৯৭৮) উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ , সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ।   তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের টাঙ্গাইলের তৎকালীন ভূঞাপুর থানার অন্তর্গত বিরামদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তার বাবার নাম শাবাজ খাঁ ও মা য়ে র নাম রতন খানম ।   ইবরাহীম খাঁ ১৯৭৮ সালের ২৯ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন ।  শিক্ষা জীবন ইব্রাহীম খাঁ ১৯০৬ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ির পিংনা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন । তিনি ১৯১২ সাল পর্যন্ত এখানে অধ্যয়ন করেন । সাহিত্যিক প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ প্রথম মুসলমান ছাত্র যিনি পিংনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রাস (বর্তমান এস.এস.সি) পাশ করেন । ১৯১৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ.পাস করে   তিনি অধ্যাপনায় নিয়োজিত হন ও করটিয়া সাদত কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন । ১৯২৪ সালে আইনে স্নাতক পাস করে তিনি ময়মনসিংহ বারের আইনজীবী হিসেবে ওকালতি শুরু করেন । তিনি ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চে য়া রম্যান ছিলেন ।  সাহিত...

মুক্তিযুদ্ধ, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও বাঙালী উজবুক

ছবি
  ।।পাক বেতারে রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রচার সম্পর্কে তথ্য ও বেতার দপ্তরের মন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দীন।। রাওয়ালপিন্ডি ২২শে জুন (এপিপি)। পাকিস্তানের তথ্য ও বেতার দপ্তরের মন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দীন আজ জাতীয় পরিষদে বলেন যে, পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক মর্যাদার পরিপন্থী এমন সকল রবীন্দ্রসঙ্গীত ভবিষ্যতে পাকিস্তান বেতারে প্রচার করা হইবে না এবং অন্যান্য সঙ্গীতের প্রচার হ্রাস করা হইবে। বিরোধী দলীয় সদস্য জনাব মজিবর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী উপরোক্ত মন্তব্য প্রকাশ করেন। দৈনিক সংবাদ, ২২ জুন ১৯৬৭ ------------------------------------------------------------- ।। পাকিস্থানে রবীন্দ্রসঙ্গীত।। ঢাকা বেতার কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ, সম্প্রতি এই বলে সমস্ত শিল্পীদের সাবধান করে দিয়েছেন যে, যদি তাঁরা অবিলম্বে রবীন্দ্র-সঙ্গীত বন্ধ করার জন্য সরকারী নির্দেশের সমর্থনে একটি বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর দান না করেন, তাহলে বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁদের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হবে। পাকিস্থানের 'কেন্দ্রীয় তথ্য ও বেতার দপ্তরের প্রচারমন্ত্রী শ্রীখাজা শাহাবুদ্দিন ইতিপূর্বে এ বিষয়ে যে বিবৃতি দিয়েছিলেন, তা 'অমৃতে'র পৃষ্ঠায় প্...

সময় এসেছে বইমেলা নিয়ে ভাববার

ছবি
সময় এসেছে বইমেলা নিয়ে ভাববার আর এভাবে আবেগে ভাসলে হবে না বাস্তবকে মেনে নিতে হবে... যতই না করি বাস্তব অস্বীকার করা যাবে না।  মেলার সেই জৌলুশ আর নেই সেটা যে কারনেই হোক না কেনো তার জন্য আমরা প্রকাশক বা পাঠক সমাজ দুজনই দায়ী হতে পারি সেটা যার যার মত ভেবে নিন। * একুশে গ্রন্থমেলার যদি সামান্য জৌলুশ টিকিয়ে রাখতে চান মেলার সময় ১ মাস থেকে কমিয়ে ১০/১২ বা ১৫ দিনে নিয়ে আসুন, ১ মাস ব্যাপী বইমেলায় যাওয়ার মত সময় এখন আর পাঠকের কাছে নেই কারণ জীবনটা এখন সব ক্ষেত্রেই যান্ত্রিক ও কঠিন এটা বাস্তব সত্য।  * স্টল বিন্যাস যাচ্ছেতাই অবস্থা এত আগোছালো এত বড় এলাকা নিয়ে সেখানে পাঠক প্রথম পথ হারায় সাথে এত ঘুড়ে বই দেখার বা কেনার তাদের সময়ও নেই তাই স্টল বিন্যাস হতে হবে পাঠকের কথা মাথায় রেখে বিশ্বমানের আর্কিটেক্ট দরকার নেই একজন প্রকাশককে দিন ওনারাই পারবেন।  * স্টল বিন্যাসের সাথে সাথে সব স্টল এক রকম দেখা যায় সে যায়গায় নিয়ে আসতে হবে মেলায় স্টল বিন্যাসের সাথে সাথে স্টল সাইজেও বিরাট বৈষম্য তবে এটা নিজেদের তৈরি করা বৈষম্য। এই বৈষম্যের কারনে পাঠকের মধ্যে তৈরি হচ্ছে একটা ভ্রান্ত ধারনা কেউ শিকার করুক আর না...